নাকের পলিপাস এর ঘরোয়া চিকিৎসা
আপনি কি নাকের পলিপাসের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? তাহলে আর্টিকেলটি আপনার জন্য। নাকের পলিপাস হলে ঘরোয়া চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় করা যায় কিনা সে সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা। এই আর্টিকেলটি পড়লে নাকের পলিপাসের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
আর্টিকেলটিতে নাকের পলিপাস কেন হয়, এর লক্ষণ, নাকের পলিপাসের ঔষধ ও চিকিৎসা ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা আছে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সম্পন্ন পড়ুন।
ভুমিকা
নাকের পলিপাস যদি বড় হয়ে যায় তবে শ্বাস নিতে অনেক কষ্ট হয়। নাকের পলিপাস পুরোপুরি ঘরোয়া উপায়ে নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে ঘরোয়া উপায়ে এর লক্ষণ গুলো কিছুটা নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। অর্থাৎ ঘরোয়া চিকিৎসা গুলো কেবল প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণ গুলো উপসম করতে সাহায্য করে। তাই যদি নাকের পলিপাস বড় হয়ে যায় তাহলে অবশ্যয় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। এই আর্টিকেলটিতে নাকের পলিপাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে। চলুন নাকের পলিপাসের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
নাকের মাংস বৃদ্ধির ঘরোয়া চিকিৎসা
নাকের ভিতরের টিস্যু ফুলে যাওয়ার ফলে নাকের মাংস বৃদ্ধি হয়। আর এর ফলে নাকের ভিতরে ফুলে থাকে। ঘরোয়া চিকিৎসার মাধ্যমে নাকের এই ফোলাভাব নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। নিচে নাকের মাংস বৃদ্ধি সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হলো।
১। নাকের প্রদাহ কমাতে আদা চা অথবা কুসুম গরম পানিতে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এতে এলার্জি কমে এবং নাকের ভেতরে ফোলা ভাব দূর হয়।
২। নাকের পলিপাস বা মাংস বৃদ্ধির লক্ষণ কমাতে লবণ পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করে যেতে পারে। এতে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সুবিধা হয়।
৩। নাকের মাংস বৃদ্ধির ফলে অনেক সময় শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। সেক্ষেত্রে গরম পানির ভাব নেওয়া যেতে পারে। এতে করে নাকের বন্ধ ভাব কিছুটা হলেও কমে।
৪। এক্ষেত্রে জীবনযাত্রার মানেরও কিছুটা পরিবর্তন আনা দরকার। যেমনঃ এলার্জি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা, প্রচুর পরিমাণ পানি পান করা, ধুলাবালি স্থান থেকে দূরে থাকা ইত্যাদি।
৫। নাকের পলিপাস রোধে কালোজিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রতিদিন রাতে অন্তত এক চিমটি করে কালোজিরা খাওয়া উচিত।
সতর্কতাঃ উপরে যে তথ্যগুলো দেওয়া আছে এগুলোর মাধ্যমে সাময়িক আরাম পাওয়া যায়। তবে এগুলো নাকের পলিপাসের এককালীন সমাধান নয়। তাই যদি নাকের পলিপাস থেকে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তীব্র মাথাব্যথা অথবা নাক দিয়ে রক্ত পড়ার মতো সমস্যা হয়। তবে দ্রুত নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
নাকের পলিপাস এর ওষুধ
নাকের পলিপাস এর প্রাথমিক চিকিৎসা হিসাবে প্রদাহ কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়ে থাকে। পলিপাস এর চিকিৎসায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্প্রে ব্যবহার করা হয়, আবার কোন কোন সময় ড্রপ অথবা খাবার ওষুধ দেওয়া হয়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত কোন ঔষধ ব্যবহার করা উচিত নয়। চলুন নাকের পলিপাসের ঔষধ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানি।
নাকের পলিপাস এর স্প্রে
নাকের পলিপাসের স্প্রে পলির আকার ছোট করে এবং নাক বন্ধ হওয়ার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। বাংলাদেশে নাকের পলিপাস এর জনপ্রিয় কিছু স্প্রে রয়েছে। এই স্প্রে গুলো চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত ব্যবহার করা উচিত নয়। নিচে স্প্রে গুলো সম্পর্কে বলা হলো।
- কর্টিকোস্টেরয়েডঃ এটি এমন একটি স্প্রে যা শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। নাকের পলিপাসের চিকিৎসায় এই স্প্রে টি সবথেকে বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি বন্ধ নাক খুলতে সাহায্য করে। তবে স্প্রে টি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। কারণ এই স্প্রের বেশ কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। যেমনঃ ওজন বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ, সংক্রামের ঝুঁকি ইত্যাদি।
- মোমেটাসনঃ এটি একটি ন্যাজাল স্প্রে, যা নাকের বিভিন্ন সমস্যায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি সাধারণত নাকের পলিপাসের সমস্যায় বেশি ব্যবহৃত হয়। এটি সর্দি, হাঁচি এবং নাকের চুলকানিতে সমস্যার সমাধান করে। তবে এটি ব্যবহারের ফলে অনেক সময় তীব্র মাথাব্যথা এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
- বিউডেসোনাইডঃ এলার্জি এবং নাকের পলিপাস জনিত সমস্যার কারণে অনেক সময় নাক বন্ধ হয়ে যায় বা শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। সেক্ষেত্রে এই স্প্রেটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে এই স্প্রেটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে। ফলে বিভন্ন ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। যেমনঃ বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা, গলায় সংক্রমণ এরকম আরো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। তাই স্প্রে গুলো ব্যবহার করবে নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
নাকের পলিপাস এর ড্রপ এর নাম
বর্তমানে নাকের পলিপাসের চিকিৎসায় স্প্রের ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। নাকের পলিপাসের ড্রপ খুব একটা ব্যবহার হয় না। তবে নাকের পলিপাস এর প্রাথমিক চিকিৎসায় কিছু ড্রপ ব্যবহার হয়ে থাকে, সেগুলো সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত বলা হলো।
- লবণ পানির ড্রপঃ এটি সাধারণত বন্ধ নাক অথবা সর্দি জনিত সমস্যার সমাধানে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই ড্রপটি বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে, তবে বড়রাও এটি ব্যবহার করতে পারে। যেহেতু এটি কোন ওষুধ নয়, তাই ড্রপটি ব্যবহারে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। এ ড্রপটি ঘরে বসেও তৈরি করা যায়। সে ক্ষেত্রে কুসুম গরম পানির চার ভাগের একভাগ লবণ মিশিয়ে ড্রপারে তুলে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে ড্রপার এবং যে পাত্রে পানি লবন মিশাবেন সেই পাত্রটি অবশ্যই গরম পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। আর নাকে কটন বাড বা অন্য কোন কাঠি ব্যবহার করা যাবে না, এতে নাকের ক্ষতি হতে পারে।
- সাধারণ নাক বন্ধ ভাব কমানোর ড্রপঃ নাক বন্ধ থাকলে বা নাকের পলিপাস জনিত সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সাধারণত এ ধরনের ড্রপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এতে অক্সিমেটাজোলিন থাকে, যা নাকের বন্ধ ভাব দ্রুত কমাতে সাহায্য করে। এ ধরনের ড্রপ নাকের রক্তনালি সংকুচিত করে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শের ব্যতীত এ ধরনের ড্রপ টানা তিন চার দিনের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে করে সমস্যাগুলো কমার বদলে উল্টো বেড়ে যেতে পারে।
নাকের পলিপাস হলে কি কি সমস্যা হয়
নাকের পলিপাস হলে সাধারণত যে সমস্যাটি হয়ে থাকে সেটি হচ্ছে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া। এছাড়াও নাকের পরিবেশ হলে আরো বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। নিজেকে সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া হলো।
১। সারাক্ষণ নাক বন্ধ থাকে এবং নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া যায় না বললেই চলে। সে ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে হয়।
২। নাকের পলিপাস হলে খাবারের ঘ্রাণ বা অন্য যে কোন কিছুর ঘ্রাণ ঠিকমতো পাওয়া যায় না।
৩। যাদের নাকের পলিপাস আছে তাদের ঘুমানোর সময় নাক ডাকার মত সমস্যা হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।
৪। নাকের পলিপাস হলে হাঁপানি এবং এলার্জি জনিত সমস্যা বেড়ে যায়।
৫। নাকের পলিপাস জনিত সমস্যার কারণে সারাক্ষণ সর্দি লেগেই থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই সর্দি না হলেও নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়তে থাকে।
নাকের পলিপাস কেন হয়
নাকের ভেতরে মিউকাস মেমব্রেনে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহের কারণে এক ধরনের ক্যান্সারবিহীন মাংসপিণ্ড ঝুলে থাকে বা ফুলে যায় একেই মূলত নাকের পলিপাস বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত বংশগত, ওষুধের সংবেদনশীলতা, হাঁপানি বা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ থেকে হয়ে থাকে। নাকের পলিপাস কেন হয় সে সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত বলা হলো।
১। ধুলাবালি এবং বিভিন্ন খাবার জনিত কারণে অনেকের এলার্জি সমস্যা থাকে। আরে এলার্জির সমস্যার কারণে বারবার প্রদাহ হয়। আর এর ফলে নাকের পলিপাস হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়।
২। গবেষণায় দেখা গেছে অ্যাজমা বা হাঁপানিজনিত যাদের সমস্যা রয়েছে তাদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নাকের পলিপাস হয়।
৩। অনেকের ক্ষেত্রে রোগে প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি জনিত সমস্যার কারণে নাকের পলিপাস হয়ে থাকে।
৪। নাকের পলিপাস বংশগতভাবেও হয়ে থাকে। অর্থাৎ পরিবারের কারো নাকের পলিপাস হয়ে থাকলে পরবর্তীতে অন্যদেরও নাকের পলিপাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৫। বিভিন্ন ধরনের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জনিত কারণেও নাকের পলিপাস হয়ে থাকে। যেমনঃ অ্যাাসপিরিন জাতীয় ওষুধের সংবিধানশীলতা কারণে নাকের পলিপাস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
৬। নাকের ভেতরে দীর্ঘমেয়েদি প্রদাহ বা ইনফেকশন জনিত সমস্যা থাকলে নাকের পলিপাস হতে পারে।
নাকের পলিপাস এর চিকিৎসা খরচ
নাকের পলিপাসের সর্বোচ্চ চিকিৎসা হলো পলিপাস অপারেশন। স্থান ভেদে পলিপাস অপারেশন এর খরচ ভিন্ন হয়ে থাকে। আবার অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতাল, সার্জন ফি এবং রোগীর অবস্থার উপর ভিত্তি করে নাকের পলিপাস অপারেশন খরচ আলাদা হয়। নাকের পলিপাস অপারেশন খরচ সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো।
চিকন সূচ দিয়ে পলিপাস অপারেশন
নাকের পলিপাস অপারেশন সবচেয়ে নিখুদ হয় চিকন সূচ দিয়ে অপারেশন করলে। তবে এই ক্ষেত্রে খরচ একটু বেশি হয়। ঢাকার মধ্যে চিকন সূচ দিয়ে অপারেশন করলে ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। তবে এই অপারেশন যদি বিভাগীয় পর্যায়ে করা হয় তাইলে খরচ কিছুটা কম হয়। বিভাগীয় পর্যায়ের হাসপাতাল গুলোতে এই অপারেশন করা হলে খরচ হবে প্রায় ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার এর মত। খরচ একটু বেশি হলেও চিকন সূচ দিয়ে অপারেশন করা উচিত। এক্ষেত্রে অপারেশন নিখুদ হয় এবং ঝুকিও কম থাকে।
মোটা সূচ দিয়ে পলিপাস অপারেশন
মোটা সূচ দিয়ে অপারেশন করলে খরচ কিছুটা কম হয়। অনেকে টাকা বাঁচানোর জন্যে মোটা সূচ দিয়ে অপারেশন করে থাকে। সেক্ষেত্রে ঢাকার মধ্যে অপারেশন করলে ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকার মত খরচ হতে পারে। আর যদি এই অপারেশন বিভাগীয় পর্যায়ে করা হয় সেক্ষেত্রে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মত খরচ হয়। তবে যদি টাকার সমস্যা না হয় সেক্ষেত্রে মোটা সূচ দিয়ে অপারেশন না করায় উচিত।
নাকের পলিপাস এর লক্ষণ
নাকের পলিপাস দেখতে অনেকটা আগুরের মত। পলিপাস ছোট থাকলে এর লক্ষণ গুলো খুব একটা প্রকাশ পায় না, তবে পলিপাস বড় হলে এর বেশ কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। চলুন নাকের পলিপাসের লক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
১। নাকের পলিপাস হলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং প্রায় সারাক্ষণই নাক বন্ধ থাকে।
২। ঘুমের মধ্যে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং নাক ডাকার মত অভ্যাস তৈরি হয়।
৩। নাকের পলিপাস হলে ঘ্রাণশক্তি হ্রাস পায় এবং খাবারের ঘ্রাণ ঠিকমতো পাওয়া যায় না।
৪। সব সময় সর্দি লেগেই থাকে এবং নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরতে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে ঘন ঘন হাঁচিও হয়।
৫। নাকের পলিপাসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে লক্ষণ সেটি হচ্ছে নাক বন্ধ থাকার কারণে রোগী মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে বাধ্য হয়। বিশেষ করে ঘুমানোর সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হয়।
নাকের পলিপাস এর ছবি
নাকের পলিপাস দেখতে সাধারণত ফ্যাকাসে, নরম এবং আঙুরের মতো হয়ে থাকে। নাকের পলিপাস হলো ক্যান্সার বিহীন মাংসপিণ্ড। নাকের পলিপাসের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। নিচে নাকের পলিপাসের ছবি দেওয়া হলোঃ
মন্তব্য
নাকের পলিপাস বায়ু চলাচলে অসুবিধা সৃষ্টি করে, যার ফলে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা তৈরি হয়। যেহেতু নাকের পলিপস স্পর্শে কোন ব্যথা অনুভব হয় না, তাই অনেকে প্রথম অবস্থাতে নাকের পলিপাস সনাক্ত করতে পারে না। তবে উপরুক্ত যে তথ্যগুলো দেওয়া আছে এ তথ্যগুলো থেকে সহজেই নাকের পলিপাস সনাক্ত করতে পারবেন এবং এর সমাধান করতে পারবেন। আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হয়েছেন। যদি নাকের পলিপাস সম্পর্কে আপনার আরো কিছু জানার থাকে তাহলে আমাদের প্রশ্ন করতে পারেন।


অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url