টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানুন
টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ কি কি এবং এর প্রতিকার কি? টাইফয়েড জ্বর কতদিন থাকতে পারে এবং কোন ঔষধ বা ইনজেকশনের মাধ্যমে টাইফয়েড ভালো করা যায় এ সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। টাইফয়েড জ্বর ভালো করার উপায় সম্পর্কে জানতে নিচের আর্টিকেলটি পড়ুন।
টাইফয়েড জ্বরের ১-২ সপ্তাহ পর আবার শরীরে জ্বর আসতে পারে। তাই টাইফয়েড পরবর্তী কি কি সমস্যা হতে পারে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়ুন।
ভূমিকা
টাইফয়েড জ্বর একটি ব্যাকটেরিয়া বাহিত রোগ। Salmonella typhi নামক ব্যাকটেরিয়া হতে টাইফয়েড জ্বর হয়। এটি সাধারণত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। এছাড়া কোন ফল বা সবজি না ধুয়ে খাওয়া,রাস্তার পাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া কিংবা পরিষ্কার টয়লেটের এক্সেসের অভাবে টাইফয়েড জ্বর হতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না দেওয়া হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করে এমনকি মৃত্যু ঝুঁকি থাকে। তাই আমরা আমাদের এই আর্টিকেলটিতে টাইফয়েড জ্বরের কারণ, লক্ষণ এবং টাইফয়েড জ্বরের ঔষধ বা চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যেন খুব সহজেই টাইফয়েড জ্বর সনাক্ত করতে পারেন এবং দ্রুত চিকিৎসা করতে পারেন।
টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও প্রতিকার
আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় শরীরে নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ দেখা দেয়। এই সময়ে একটি মারাত্মক রোগের নাম হল টাইফয়েড জ্বর। প্রথম দিকে এটি সাধারণ জ্বরের মতো লাগলেও আস্তে আস্তে এর লক্ষণ গুলো প্রকাশ পায়। টাইফয়েড জ্বরের কিছু লক্ষণ নিচে তুলে ধরা হলো।
টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ
১।উচ্চ জ্বরঃ টাইফয়েড জ্বরের সাধারণ লক্ষ্য দীর্ঘদিন উচ্চ জ্বর থাকা। জ্বর ধীরে ধীরে বাড়ে এবং ১০৩-১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌছাতে পারে। বিকেলের দিকে বা রাতে এই জ্বর বেশি অনুভূত হয়।
২।দুর্বলতা ও ক্লান্তিঃ শরীরের বিভিন্ন অংশ যেমন হাত-পা প্রচন্ড ব্যথা হয় এবং দুর্বলতা দেখা দেয়। টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তি খুব সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
৩।পেটের সমস্যাঃ টাইফয়েড জ্বরে প্রাপ্তবয়স্কদের কোষ্ঠকাঠিন্য এবং শিশুদের ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
৪।মাথাব্যথাঃ প্রচন্ড মাথা ব্যাথা টাইফয়েড জ্বরের রোগীর প্রাথমিক উপসর্গ।
৫।ফুসকুড়িঃ চামড়ায় হালকা লালচে রংয়ের ছোট ছোট দানা বা দাগ দেখা দিতে পারে।
৬।ক্ষুধামন্দাঃ খাবারের প্রতি অনীহা দেখা দেয়।
টাইফয়েড জ্বরের প্রতিকার
১।চিকিৎসা ও ঔষধঃ জ্বর টাইফয়েড কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য রক্ত পরীক্ষা করা জরুরী। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া শুরু করতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে মাঝপথে ছেড়ে দেয়া যাবে না। অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স সম্পূর্ণ শেষ না করলে জ্বর আবার ফিরে আসতে পারে।
২।খাদ্যাভ্যাসঃ বেশি বেশি বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। এছাড়া ডাবের পানি ফলের রস এবং স্যুপ পান করতে হবে। এগুলো শরীরের পানি শূন্যতা দূর করে এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের অবশ্যই সহজে হজম হয় এমন খাবার যেমনঃ নরম ভাত,পাতলা ডাল,সেদ্ধ সবজি,ডিম এগুলো খেতে হবে। রাস্তার পাশে অস্বাস্থ্যকর খোলা খাবার,কাঁচা সালাদ এবং অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার বর্জন করতে হবে।
৩।পর্যাপ্ত বিশ্রামঃ টাইফয়েড জ্বরের কারণে হাত-পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা হয় এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। শরীরে শক্তি যোগাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম অপরিহার্য।
৪।পরিছন্নতাঃ টাইফয়েড রোগ যেহেতু দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে ছড়ায় তাই কোন কিছু খাওয়ার আগে এবং বাথরুম ব্যবহার করার পরে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
৫।ঘরোয়া প্রতিকারঃ হালকা গরম পানির সঙ্গে লবঙ্গ বা তুলসী পাতা ফুটিয়ে খেলে শরীরের অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে। কমলা বা লেবুর রস খেতে হবে কারণ এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
শিশুর টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ
যেকোনো বয়সেই টাইফয়েড জ্বর হতে পারে। কিন্তু পাঁচ বছর নিচের শিশুদের টাইফয়েড জ্বর তীব্র ভাবে দেখা যায়। দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে টাইফয়েড জ্বর হয়। সংক্রমিত হওয়ার ১০ থেকে ১২ দিন পর জ্বর সহ এ রোগের অন্যান্য লক্ষণ দেখা যায়। শিশুদের টাইফয়েড হলে জ্বরের পাশাপাশি বমি, মাথাব্যথা,পাতলা পায়খানা হয়ে থাকে। শিশুরা অত্যন্ত দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং খাবারের প্রতি অনীহা দেখা দেয়। জ্বরের কিছুদিন পর শিশুর শরীরে গোলাপি বা লালচে র্যাশ দেখা যায়। টাইফয়েড জ্বরের প্রথম সপ্তাহের পর যথাযথ চিকিৎসা না করলে শিশুদের শরীরে মারাত্মক জটিলতা দেখা দেয় যেমন- খিচুনি,পেট ফোলা,রক্ত পায়খানা,জন্ডিস এবং মৃত্যুও হতে পারে।
টাইফয়েড জ্বর কতদিন থাকে
টাইফয়েড জ্বর হলে ১-২ সপ্তাহের মধ্যে এর লক্ষণ গুলো প্রকাশ পায়। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করলে ৪-৫ দিনের মধ্যে জ্বর আস্তে আস্তে করতে শুরু করে। ৭-১৪ দিন পর রোগী অনেকটা সুস্থ বোধ করে। তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে এবং শরীরের দুর্বলতা কাটতে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। যদি চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হয় তবে শরীরে বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয় এবং সুস্থ হতে ৩-৪ সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। দ্রুত সময়ে এবং সঠিক চিকিৎসা না নিয়ে টাইফয়েড জ্বর মাসের পর মাস থাকতে পারে এবং এটিতে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।
টাইফয়েড জ্বর হলে কি গোসল করা যায়
টাইফয়েড জ্বর হলে গোসল করা যায়। তবে ঠান্ডা পানিতে গোসল করা যাবে না এতে জ্বর আরো বেড়ে যেতে পারে। কুসুম গরম পানি ব্যবহার করে গোসল করা সবচেয়ে ভালো। যদি খুব বেশি জ্বর থাকে বা দুর্বলতা দেখা দেয় তাহলে গোসল এড়িয়ে চলাই ভালো। সেক্ষেত্রে কুসুম গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে পুরো শরীর মুছে দেওয়া যেতে পারে।
টাইফয়েড জ্বর ভালো করার উপায়
টাইফয়েড জ্বর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে হয়ে থাকে যা সঠিক চিকিৎসা এবং যত্নের মাধ্যমে পুরোপুরি সেরে যায়। নিচে টাইফয়েড জ্বর ভালো করার কিছু উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ
- টাইফয়েড জ্বর সন্দেহ হলে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে।
- ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করতে হবে এবং অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স সম্পূর্ণ শেষ করতে হবে।
- বেশি বেশি করে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। তার পাশাপাশি ডাবের পানি,ফলের রস বা পাতলা সুপ পান করতে হবে।
- সহজপাচ্য এমন খাবার যেমন-জাউ ভাত,সেদ্ধ সবজি,কলা, ডিম এগুলো খেতে হবে।
- কোন কিছু খাওয়ার আগে ও বাথরুম ব্যবহার করার পরে ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।
- কঠোর পরিশ্রম করা যাবে না। কারণ এ সময় শরীর খুবই দুর্বল থাকে তাই দ্রুত শক্তি ফিরে আনতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম করতে হবে।
সতর্কতাঃ যদি জ্বরের সাথে সাথে প্রচন্ড পেটব্যাথা,বমি কিংবা পাতলা পায়খানা হয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে বা হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না।
টাইফয়েড জ্বরের ঔষধের নাম
টাইফয়েড জ্বরের প্রধান ঔষধ অ্যান্টিবায়োটিক। তবে তা অবশ্যই রক্ত পরীক্ষা করার পর চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে। রোগীর শারীরিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। নিচে টাইফয়েড জ্বরের কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের নাম দেয়া হলো।
১। অ্যাজিথ্রোমাইসিন (Azithromycin)
২। সিপ্রোফ্লক্সাসিন (Ciprofloxacin)
৩। সেফিক্সিম (Cefixime)
৪। সেফট্রায়াক্সোন (Ceftriaxone)
জ্বর কমানোর জন্য এবং শরীরের ব্যথা দূর করতে ডাক্তার প্যারাসিটামল দিয়ে থাকে। শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ করতে খাবার স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে তাই অনেক সময় গ্যাসের ঔষধ দেওয়া হয়।
টাইফয়েডের ইনজেকশন কতটা দিতে হয়
টাইফয়েড ইনজেকশন মূলত দুই উদ্দেশ্যে দেয়া হয়। একটি হল রোগ প্রতিরোধের জন্য টিকা আর অন্যটি আক্রান্ত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন। বর্তমানে টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধের জন্য টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (TCV) ব্যবহার করা হয়। এর এক ডোজই যথেষ্ট। ৯ মাস বা তার বেশি বয়সের শিশুদের থেকে শুরু করে ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত যে কেউ এই টিকা দিতে পারে। এটি সাধারণত হাতের মাংসপেশীতে দেয়া হয়। একটি ডোজ নেয়ার পরে কয়েক বছর পর্যন্ত এর সুরক্ষা পাওয়া যায়। টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের উপর নির্ভর করে অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ৭ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ইনজেকশন দিতে হতে পারে।
টাইফয়েড জ্বর হলে কি কি খাওয়া উচিত
টাইফয়েড জ্বরের সময় শরীর খুব দুর্বল হয়ে যায় এবং পরিপাকতন্ত্র সংবেদনশীল থাকে। তাই এই সময় উচ্চ ক্যালরি ও প্রোটিন যুক্ত কিন্তু সহজে হজম হয় এমন খাবার খাওয়া উচিত। এই সময় অন্তত দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে এবং তার পাশাপাশি ডাবের পানি,ফলের রস ও স্যুপ পান করতে হবে। এছাড়া নরম ভাত বা জাউ ভাত,সেদ্ধ আলু,সাবুদানার খিচুড়ি বা সুজি এগুলো খাওয়া যেতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন-সেদ্ধ ডিম,নরম মাছ,দই এগুলো খেতে হবে।
প্যারা টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ
প্যারাটাইফাইড জ্বর মূলত সালমোনেলা এন্টেরিকা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হয়। এটি টাইফয়েড জ্বরের মতোই একটি রোগ তবে টাইফয়েড জ্বরের তুলনায় এর তীব্রতা কিছুটা কম থাকে। প্যারা টাইফয়েড জ্বরের প্রধান লক্ষণ গুলো নিচে দেওয়া হলো।
১। হঠাৎ করে জ্বর না এসে ধীরে ধীরে জ্বর বাড়তে পারে এবং শরীরের তাপমাত্রা ১০৩থেকে ১০৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
২। প্রচন্ড পেট ব্যথা,ডায়রিয়া অথবা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
৩। তীব্র মাথাব্যথা,হাত-পা ব্যথা,শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি লাগে।
৪। খাবারের প্রতি রুচি হারিয়ে যায় এবং বমি বমি ভাব হয়।
৫। অনেক রোগীর জ্বরের সাথে শুকনো কাশি হতে পারে।
৬। পেটে বা বুকের চামড়ায় গোলাপি রঙের ছোট ছোট ফুসকুরড়ি বা দাগ দেখা দিতে পারে।
টাইফয়েড পরবর্তী সমস্যা
টাইফয়েড বা এন্টারিক লিভার থেকে সেরে ওঠার পরেও অনেকের কিছু শারীরিক ও মানসিক সমস্যা থেকে যেতে পারে। যেমন- শরীর খুব দুর্বল হয়ে পড়ে এবং কাজকর্মেও ক্লান্তি অনুভূত হয়। এছাড়াও পেটে ব্যথা, শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা,হজমে সমস্যা,ক্ষুধা কমে যাওয়া ও বমি বমি ভাব হতে পারে। দীর্ঘদিন অসুস্থতা থাকার কারণে মনোযোগের অভাব।মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। টাইফয়েড পরবর্তীতে চুল পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই টাইফয়েড জ্বর থেকে সেরে ওঠার পরে পর্যাপ্ত বিশ্রাম করা প্রয়োজন এবং পুষ্টিকর খাবার ও বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। সুস্থ হবার পর যদি আবার তীব্র পেট ব্যথা বা জ্বর ফিরে আসে তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
মন্তব্য
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে প্রতি বছর কোটি কোটি মানুষ টাইফয়েড রোগে আক্রান্ত হয় এবং সময়মতো এর চিকিৎসা না পেলে জীবননাশের কারণ হতে পারে। টাইফয়েড যেহেতু দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায় তাই আমাদের বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে এবং খোলা পরিবেশের খাবারগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। আর্টিকেলটিতে টাইফয়েড জ্বরের বিভিন্ন লক্ষণ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও যদি টাইফয়েড সম্পর্কে আরো বিস্তারিত কিছু জানার থাকে তাহলে আমাদের কমেন্ট বক্সে আপনি প্রশ্ন করতে পারেন।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url