মাথা গরম হলে ঠান্ডা করার উপায় জেনে নিন

অনেক সময় আমাদের কথায় কথায় মাথা গরম হয়ে যায় এবং সহজে মাথা ঠাণ্ডা হতে চায় না। আপনি কি মাথা গরম হলে ঠাণ্ডা করার উপায় সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্যে। এই আর্টিকেলটি পড়লে মাথা গরম হলে ঠাণ্ডা করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

এই আর্টিকেলে রাগ কমানোর দোয়া,মাথা ঠান্ডা রাখার ঔষধ,প্রাকৃতিক উপায়,খাবার ও ব্যায়াম ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত লিখা আছে। এগুলো সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি পড়ুন।

ভূমিকা

আমরা সবাই জানি রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। কিন্তু আমাদের অনেকের রাগের উপর কন্ট্রোল থাকে না। হুট হাঁট মাথা গরম হয়ে যায় এবং বিচার বুদ্ধি হারিয়ে ফেলি। কিছু উপায় অবলম্বন করলে রাগ কন্ট্রোল করা যায় এবং মাথা গরম হলেও ঠান্ডা করা যায়। মাথা গরম হলে ঠান্ডা করার উত্তম উপায় হচ্ছে ইচ্ছাশক্তি। যদি নিজেকে কন্ট্রোল করার ইচ্ছা শক্তি না থাকে তাহলে কোনভাবেই মাথা ঠান্ডা করা সম্ভব নয়। মাথা অতিরিক্ত গরম হলে তা কিভাবে ঠান্ডা করতে হবে সে সম্পর্কে আর্টিকেলটিতে লেখা আছে। চলুন এই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানি।

মাথা গরম হলে ঠান্ডা করার উপায়

মাথা গরম হওয়ার প্রধান কারণ পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হওয়া। তবে অনেক সময় টাকার সমস্যা থাকলেও হুট হাট মাথা গরম হয়ে যায়। হুট হাট মাথা গরম হলে মাথা ঠান্ডা করার উপায় সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত বলা হলো।

১। কোন কারণবশত হুট করে মাথা গরম হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্থানটি ত্যাগ করা উচিত। খোলা বাতাস আছে এমন পরিবেশে যাওয়ার সবচেয়ে উত্তম।

২। মাথা ঠান্ডা করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা এবং চোখমুখে ঠান্ডা পানি ঝাপটা দেওয়া। যদি সম্ভব হয় ওযু করে নিতে পারেন।

৩। মাথা ঠান্ডা রাখতে কিছুক্ষণ দ্রুত হাঁটুন, এতে শারীরিক উত্তেজনা কিছুটা কমে এবং মাথা ঠান্ডা করতে সাহায্য করে।

৪। মাথা ঠান্ডা করতে এমন কাজ করুন যেগুলো আপনার ভালো লাগে। যেমন গান শোনা, গান বলা, ছবি আঁকা ইত্যাদি করতে পারেন।

৫। মাথা ঠান্ডা করার জন্য কার্যকরী একটি উপায় হচ্ছে নাক দিয়ে দীর্ঘ শ্বাস নেওয়া এবং মুখ দিয়ে তা বের করে দেওয়া।

৬। রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পছন্দের খাবার খান, এতে রাগ কিছুটা কমে যায়। অথবা চকলেট, শসা, পুদিনা পাতা ও দই এ জাতীয় খাবার খেতে পারেন। এতে শরীর এবং মাথা দুটোই ঠান্ডা থাকে।

৭। যোগাসন বা মেডিটেশন করতে পারেন, এতে করে চট করে উত্তেজনা বাড়েনা। ফলে দীর্ঘমেয়াদি মাথা ঠান্ডা থাকে।

রাগ কমানোর দোয়া

পানি যেমন আগুন নিভাতে সাহায্য করে, তেমনি অজু করলে রাগ কমে যায়। তাই রাগ হলে দ্রুত অজু করা উচিত। দ্রুত রাগ কমানোর জন্য নিজের অবস্থানের পরিবর্তন করুন। এছাড়াও রাগ কমানোর জন্য যে দোয়া গুলো পড়বেন সেগুলো নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো।

রাগ মূলত শয়তানের প্ররোচনা থেকেই আসে, তাই রাগ কমানোর সবচেয়ে উত্তম উপায় হচ্ছে শয়তানের প্ররোচনা থেকে আল্লাহর কাছে পানাহা চাওয়া। এজন্য আমরা যে দোয়াটি পড়তে পারি সেটি হচ্ছেঃ

উচ্চারণঃ "আউজু বিল্লাহি মিনাশ শাইত্বানির রাজিম"।

অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তান থেকে আশ্রয় চাই।

রাগ কমানোর জন্য আমাদের সবসময় উচিত আল্লাহর কাছে মানসিক শান্তি এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণের জন্য দোয়া করা। আর এই জন্য আমরা যে দোয়াটি করতে পারি সেটি হলোঃ

উচ্চারণঃ "আল্লাহুম্মা রাব্বা মুহাম্মাদিন,ইগফিরলী যাম্বী ওয়া আযহিব গাইযা কলবী ওয়া আজিরনী মিন মুদিল্লাতিল ফিতান"।

অর্থঃ হে মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতিপালক আল্লাহ! আমার গুনাহ ক্ষমা করুন, আমার অন্তরের ক্রোধ দূর করে দিন এবং আমাকে বিভ্রান্তিকর ফিতনা থেকে রক্ষা করুন।

সর্বোপরি রাগের মাথায় কথা কম বলার চেষ্টা করতে হবে এবং যদি সম্ভব হয় সব সময় ওযু করে থাকার চেষ্টা করুন। এতে করে শয়তান সহজে প্ররোচনা দিতে পারবে না এবং সহজেই রাগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

মাথা ঠান্ডা রাখার তেলের নাম

কিছু কিছু তেল আছে যেগুলো মাথা ঠান্ডা ও সতেজ রেখে মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এই তেল গুলো উপযুক্ত পরিমাণ হাতে নিয়ে মাথায় মেসেজ করতে হয়, এতে মাথা ঠান্ডা হয়। তবে কারো যদি ঠান্ডা লাগা বা সর্দির মতো সমস্যা থাকে তবে তেল গুলো ব্যবহার না করাই উত্তম। নিচে মাথা ঠান্ডা করার তেল সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হলো।

১। হিমানী নবরত্ন তেলঃ এই তেল বেশ কিছু আয়ুর্বেদিক ভেষজ নির্যাস দ্বারা তৈরি হয়ে থাকে। যেমনঃ আমলা, কর্পূর, মেনথল, ব্রাক্ষী, ভিঙ্গরাজ, জটামানসি, রোজমেরি অয়েল ইত্যাদি উপাদান রয়েছে। এই উপাদানগুলো মাথা ঠান্ডা রেখে মানসিক চাপ ও অনিদ্রা জনিত সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

২। ইমামি ৭ অয়েল ইন ওয়ানঃ এই তেলটি আরগান, আমন্ড, জোজোবা, অলিভ, আমলা, কোকোনাট ও ওয়ালনাট এই তেল গুলোর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। এই তেলটি হালকা ফর্মুলায় তৈরি করা হয়, তাই চুলে আঠালো ভাব তৈরি করে না। এই তেলটি ব্যবহারের ফলে চুল পড়া নিয়ন্ত্রণ হয় এবং মাথার ত্বক ঠান্ডা হয়।

৩।রেড কিং কুলিং অয়েলঃ এটি পুরুষদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা একটি তেল। এই তেলটি ১৫ টির ও বেশি প্রাকৃতিক উপাদানে দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। যা দ্রুত মাথা ব্যাথা, ক্লান্তি ও স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে এবং দ্রুত শীতলতা প্রদান করে।
৪।বাজাজ কুল আমন্ড ড্রপস হেয়ার অয়েলঃ এই তেলটি আমন্ড অয়েল এবং ভিটামিন E-এর সমন্বয়ে তৈরি, যা মেন্থল ও কর্পূরের শীতল অনুভূতি দেয়। এই তেলটি চুল পড়া কমিয়ে চুল মজবুত করে এবং মাথা ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়াও আরো কিছু তেল রয়েছে যেমন পুদিনা পাতার তেল, নারকেল তেল, চন্দন তেল ইত্যাদি। যে তেল গুলো মাথার ত্বক ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে মানসিক চাপ কমে এবং মাথা ঠান্ডা থাকে।

ইসলামে রাগ কমানোর উপায়

মানুষের যেকোনো সময় রাগ হতে পারে। আর এ রাগ হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে শয়তানের প্ররোচনা। ইসলামে রাগ কমানোর কিছু সহজ উপায় রয়েছে। চলুন ইসলামে রাগ কমানোর উপায় সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানি।

যখন রাগ হবে তখন শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে“আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম”পাঠ করতে হবে। এরপর যত দ্রুত সম্ভব ওযু করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ রাগ হচ্ছে আগুন আর আগুন নিভাতে পানির প্রয়োজন হয়। রাগের মাথায় কথা বলা থেকে বিরত থাকুন কারণ রাগের মাথায় কথা বললে রাগ কমে না বরং বাড়ে। তাই রাগের মাথায় চুপ থাকার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত রাগ হলে নিজের অবস্থানে পরিবর্তন করুন। অর্থাৎ দাঁড়িয়ে থাকলে বসে পড়ুন আর যদি বসেও রাগ না কমে তাহলে শুয়ে পড়ুন। প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা করে দেওয়ার অভ্যাস করুন।

কারণ ইসলামে ক্ষমা করা একটি মহৎ গুণ, এতে মানসিক শান্তি পাওয়া যায়। রাগের মাথায় মৃত্যু ও পরকাল নিয়ে চিন্তা করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে ন্যায় বিচারের জন্য দোয়া করতে হবে। এতে করে সহজেই রাগ কমে যাবে।

উপরোক্ত উপায় গুলো অবলম্বন করে দ্রুত রাগ কমানো সম্ভব। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলেছেন “ শক্তিমান সে নয়, যে কুস্তিতে অন্যকে হারিয়ে দেয়। বরং শক্তিমান সে, যে রাগের মাথায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে"। তাই আমাদের সকলের উচিত রাগ নিয়ন্ত্রণ করা।

মাথা ঠান্ডা রাখার ঔষধ

মাথা গরম হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হওয়া এবং অতিরিক্ত টেনশন বা মানসিক চাপ থাকা। আর এই রাগ থেকে বাঁচা বা মাথা ঠান্ডা করার জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খেয়ে থাকি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত কোন প্রকার ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। চলুন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আমরা কোন ধরনের ওষুধ খেতে পারি সে সম্পর্কে জানি।

মাথা ঠান্ডা বা মানসিক প্রশান্তির জন্য সবচেয়ে উত্তম উপায় হচ্ছে অশ্বগন্ধা বা প্রাকৃতিক ভেষজ গ্রহণ করা। এছাড়াও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ট্রাইপটিন ১০ (Tryptain 10) বা ভেল্লা (Vella) এ জাতীয় ঔষধ খাওয়া যেতে পারে। তবে ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে রেজিস্টার চিকিৎসক ব্যতীত কোন প্রকার ওষুধ খাওয়া একদমই উচিত নয়। তাই যেকোন ওষুধ খাওয়ার পড়বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যদি তীব্র মাথাব্যথা মাথা, গরম বা মানসিক সমস্যা হয় তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাথা ঠান্ডা রাখার প্রাকৃতিক উপায়

সাধারণত স্ট্রেস এবং টাকার সমস্যা থেকে মাথা গরম হয়ে থাকে। মাথা ঠান্ডা রাখার জন্য আমরা কিছু প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করতে পারি। প্রাকৃতিক উপায়ে মাথা ঠান্ডা করার অধিকার কার্যকর। নিচে মাথা ঠান্ডা করার কিছু প্রাকৃতিক উপায় দেওয়া হলো।

১। মাথা গরম হলে তাৎক্ষণিক ঠান্ডা পানি পান করার চেষ্টা করুন, এতে দ্রুতমস্তিষ্ক ঠান্ডা হয়।

২। মাথা ঠান্ডা করতে চাইলে পছন্দের কাজ করতে হবে। যেমন গান শোনা, ছবি আঁকা, বই পড়া ইত্যাদি।

৩। জিঙ্ক ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন ডার্ক চকলেট, বাদাম, ফল ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে এগুলো মেজাজ ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৪। যোগ ব্যায়াম করা যেতে পারে এতে মানসিক চাপ কমে এবং মন শান্ত থাকে।

৫। অতিরিক্ত রাগ হলে চোখমুখে ঠান্ডা পানি ঝাপটা দিন, এতে রাগ কিছুটা হলেও কমবে।

৬। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো। দিনে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে, এতে মানসিক চাপ কমে এবং মাথা ঠান্ডা থাকে।

মাথা ঠান্ডা রাখার খাবার

মাথা ঠান্ডা রাখতে খাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। এমন কিছু খাবার আছে এগুলো খেলে স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ হয় এবং স্নায়ু শান্ত রাখতে সাহায্য করে। চলুন যে খাবারগুলো খেলে মাথা ঠান্ডা থাকে সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।

১। গ্রিন টি মস্তিষ্ক শীতল রাখতে এবং মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কারণ গ্রিন টি তে শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যামাইনো এসিড থাকে।


২। ডাবের পানি ও টক দই খেলে শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় থাকে। ফলে গরমে শরীর ও মাথার ঠান্ডা থাকে এবং মন প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করে।

৩। মাথা ঠান্ডা রাখার জন্য কলা খাওয়া যেতে পারে। কারণ কলায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন বি এবং পটাশিয়াম থাকে, যা স্নায়ু শান্ত রাখতে সাহায্য করে। ফলে হুট করে রেগে যাওয়ার প্রবণতা অনেকাংশে কমে যায়।

৪। সামুদ্রিক মাছ খেলে মাথা ঠাণ্ডা হয়। কারণ সামদ্রিক মাছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ উপাদান, ভিটামিন, আয়োডিন, উচ্চ মানের প্রোটিন ও পটাশিয়াম থাকে। যা মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং স্ট্রেস হরমন নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে।

মাথা ঠান্ডা রাখার ব্যায়াম

মাথা ঠান্ডা রাখার জন্য আমরা আলাদাভাবে কোন কিছু করি না। তবে এমন কিছু ব্যায়াম আছে যে ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করলে সকল পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রাখা যায়। নিয়মিত শরীরচর্চা করলে মানসিক চাপ কমে এবং মাথা ঠান্ডা থাকে। নিচে মাথা ঠান্ডা রাখার কিছু ব্যায়াম সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হলো।

মাথা ঠান্ডা রাখার যোগ ব্যায়াম

বালাসনঃ বালাসন মস্তিষ্কের স্ট্রেস কমাতে এবং ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। এই ব্যায়ামটি করার জন্য হাটু গেড়ে বসে কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে হাত সামনে প্রসারিত করে রাখতে হয়। নিচে ছবি দেওয়া হলোঃ

সুখাসনঃ সুখাসন সাধারণত মনকে শান্ত এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করার জন্য করা হয়। মেরুদণ্ড সোজা রেখে পা ভাজ করে ধ্যান করাকে সুখাসন বলা হয়। নিচে সুখাসনের ছবি দেওয়া হলোঃ

এছাড়াও আরো কিছু যোগ ব্যায়াম রয়েছে যেগুলো মাধ্যমে মাথা ঠান্ডা হয়। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রমাণিত ব্যায়াম হচ্ছে সুখাসন এবং বালাসন। যোগব্যায়াম ব্যতীত আরো কিছু ব্যায়াম রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে মাথা ঠান্ডা করা সম্ভব। যেমনঃ

১।নাক দিয়ে ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে হবে। এরপর মুখ দিয়ে আবার ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়তে হবে, এতে দ্রুত রাগ কমে।

২।অতিরিক্ত রাগ হলে খোলা বা প্রাকৃতিক পরিবেশে কিছুক্ষণ জোরে জোরে হাঁটলে রাগ অনেকাংশে কমে যায়।

৩।ঘাড়, কপাল ও মাথা মেসেজ করলে টেনশন কমে এবং মাথা ঠান্ডা হয়।

মন্তব্য

বিভিন্ন কারণে আমাদের সবারই কম বেশি মাথা গরম হয়ে থাকে। এ সময় আমরা যে আচরণ গুলো করি সেগুলো আমাদের কন্ট্রোলে থাকে না। মাথা গরম হলে কি করা উচিত এবং কি করা উচিত নয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা হয়েছে। আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হবেন। যদি মাথা গরম হওয়া সম্পর্কে আপনার অন্য কোন তথ্য জানার থাকে তাহলে আমাদের প্রশ্ন করতে পারেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url